প্রশান্ত ত্রিপুরা

কান্ট্রি ডিরেক্টর
ই-মেইল: prashanta.tripura@thp.org

প্রাক্তন শিক্ষক যিনি একাডেমিক জগৎ থেকে উন্নয়নকর্মী হিসেবে পেশাগতভাবে যুক্ত হয়েছেন। তার চৌত্রিশ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতার মধ্যে ১৬ বছরেরও বেশি সময় তিনি কেয়ার, ইউএনডিপি, হ্যালভেটাস সুইস ইন্টারকোঅপারেশন-এর মতো আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থায় সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ-এ যোগদানের পূর্বে তিনি এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংস্কৃতিক নৃবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। সেখানে দশ বছর শিক্ষকতার পাশাপাশি ব্যক্তিগত আগ্রহ থেকে তিনি দারিদ্র্য ও সামাজিক বঞ্চনা বিষয়ে কাজ করে এমন কয়েকটি সংগঠনের সাথে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে যুক্ত ছিলেন। ২০০১ সালে প্রশান্ত ত্রিপুরা কেয়ার বাংলাদেশে যোগদানের মাধ্যমে পূর্ণকালীন উন্নয়ন পেশাজীবী হিসেবে যাত্রা শুরু করেন, যেখানে তিনি সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি ইউএনডিপি-এর পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন সহায়তা প্রকল্পে তিন বছর ঊর্ধ্বতন পদে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি স্বাধীন পরামর্শক হিসেবে কাজ করেন এবং পাশাপাশি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি-এ খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেন। ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত তিনি হ্যালভেটাস-এর ‘অপরাজিতা: নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন (তৃতীয় পর্যায়)’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে তিনি দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ-এ ‘মাল্টি-স্টেকহোল্ডার ইনিশিয়েটিভ ফর পিস অ্যান্ড স্ট্যাবিলিটি (MIPS)’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। এরপরে, ড. বদিউল আলম মজুমদারের দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর পদ থেকে অবসরের পর, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত তিনি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে সংস্থাটির অন্তর্বর্তীকালীন কান্ট্রি ডিরেক্টরের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে, ২০২৫ সালের ১ জুন থেকে তিনি দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে নিয়মিতভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর
ই-মেইল: 

 
 

Deputy

noun: deputy, deputy magistrate

স্বপন কুমার সাহা

ডিরেক্টর (ফাইনান্স এন্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন)
ই-মেইল: swapan.saha@thp.org

১৯৯৫ সাল থেকে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের সাথে যুক্ত রয়েছেন। অর্থ, হিসাবরক্ষণ, প্রশাসন, অডিট ও কর ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মোট ৩৪ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের আর্থিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা ও কর্মসূচির বাজেট তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করছেন।

সংস্থাটিতে যোগদানের পূর্বে তিনি যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা রয়্যাল কমনওয়েলথ সোসাইটি ফর দ্য ব্লাইন্ড (বর্তমানে সাইটসেভার্স ইন্টারন্যাশনাল)-এ সিনিয়র ফাইন্যান্স ও অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সংস্থাটি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের সামাজিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধিতে কাজ করে। এরপর তিনি দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় জাতীয় এনজিও ‘অ্যাসিস্ট্যান্স ফর ব্লাইন্ড চিলড্রেন (ABC)’-এ অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার পদে যোগ দেন এবং সেখানে তিন বছর কর্মরত ছিলেন।

পরিচালক (প্রোগ্রাম)
ই-মেইল: 

জমিরুল ইসলাম

ডিরেক্টর (ট্রেনিং এন্ড এমপাওয়ারমেন্ট) ই-মেইল: jamirul.islam@thp.org

২০০৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ ইউনিটের টিম লিডার ও সক্ষমতা উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। স্থানীয় সরকার ও কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট, জেন্ডার বিশ্লেষণ, প্রশিক্ষণ পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, দল গঠন ও জ্ঞান ব্যবস্থাপনায় তার ২১ বছরেরও বেশি পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে।

দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশে যোগদানের আগে তিনি প্রশিকা-তে হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং প্রোগ্রামের প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রশিকা একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, যা টেকসই উন্নয়ন, সমষ্টিগত সংগঠিতকরণ এবং দারিদ্র্যপীড়িত জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন নিয়ে কাজ করে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর (এমএসএস) ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

ড. নাজমুন নাহার নূর (লুবনা)

ডেপুটি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর
ই-মেইল: nazmunnur.lubna@thp.org

২০২৩ সালের আগস্ট মাস থেকে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ-এর ‘মাল্টি-স্টেকহোল্ডার ইনিশিয়েটিভ ফর পিস অ্যান্ড স্ট্যাবিলিটি (MIPS)’ প্রকল্পে ডেপুটি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর (DPD) পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে বাস্তবায়িত এফসিডিও’র অর্থায়নে পরিচালিত উল্লেখিত প্রকল্পের কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ড. লুবনার উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তা খাতে প্রায় ২৩ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে।

সেভ দি চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল-এ হিউম্যানিটারিয়ান ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে তিনি সংস্থাটির সংশ্লিষ্ট সকল খাতভিত্তিক প্রকল্পের তত্ত্বাবধান করেছেন। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী-তে প্রোগ্রাম অ্যান্ড পলিসি অফিসার হিসেবে তিনি ইউএসএআডি’র সহায়তায় পরিচালিত ডেভেলপমেন্ট ফুড অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশ ও ভারতে NETZ Partnership for Development & Justice-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার হিসেবে তিনি ইউরোপীয় কমিশন (EC)-এর অর্থায়নে সীমান্তবর্তী জীবন ও জীবিকা উন্নয়ন প্রকল্প এবং জার্মান ফেডারেল মিনিস্ট্রি ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (BMZ)-এর অর্থায়নে মূল স্বেচ্ছাসেবক কর্মসূচির সমন্বয় করেন।

এছাড়াও তিনি ACDI/VOCA-তে এনভায়রনমেন্টাল স্পেশালিস্ট হিসেবে কাজ করেন এবং PROSHAR প্রকল্পের (Title II AID-FFP, MYAP) তিনটি উপাদান—জীবিকা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পরিবেশগত বিষয়সমূহের সমন্বয় করেন। মৎস্য অধিদপ্তর (DoF), মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় (MoF&L)-এর অধীনে DFID অর্থায়নে CBFM-II প্রকল্পে তিনি সায়েন্টিফিক অফিসার হিসেবেও কাজ করেন।

ড. লুবনা ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ (MGCC) এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (BAU) পড়াশোনা করেন এবং একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন।

শশাঙ্ক বরণ রায়

সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার (ইয়ুথ মোবিলাইজেশন ইউনিট)
ই-মেইল: shashanka.roy@thp.org

মার্চ ২০২২ থেকে সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার এবং ইয়ুথ মোবিলাইজেশন ইউনিটের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। উন্নয়ন খাতে ২২ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি নাগরিক ও যুব সংগঠনের সমন্বয়, প্রকল্প এবং অংশীদার এনজিও ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষণ পরিচালনা, নীতিগত অ্যাডভোকেসি, লেখালেখি এবং ডকুমেন্টেশনের ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেছেন।

শশাঙ্ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গভর্ন্যান্স স্টাডিজে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

তিনি ২০০৩ সালে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ-এ কাজ শুরু করেন এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনগণকে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে কর্মসূচি বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এরপর তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এনজিও-তে অধিকার ও সুশাসনভিত্তিক প্রকল্পে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ইতোপূর্বে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এ প্রোগ্রাম ম্যানেজার, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচ-এ কোঅর্ডিনেটর, ফিল্ড অপারেশনস, এবং পিএসটিসি-তে প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর ও অ্যাডভোকেসি কোঅর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ইউএনডিপি, ইউকে এইড এবং অন্যান্য সংস্থার সহায়তায় নাগরিক সম্পৃক্ততা, মানবাধিকার এবং সুশাসন-ভিত্তিক প্রকল্প পরিচালনা করেছেন।

মেহের আফরোজ মিতা

প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর
ই-মেইল: Meher.Afroj@thp.org

মেহের আফরোজ মিতা দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ-এর একজন অভিজ্ঞ, প্রতিশ্রুতিশীল ও ফলাফলমুখী উন্নয়ন পেশাজীবী। বর্তমানে তিনি প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর হিসেবে বরিশাল অঞ্চলের উন্নয়ন কার্যক্রমে নেতৃত্ব প্রদান করছেন। পাশাপাশি তিনি সংস্থাটির সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিম (SMT)-এর সদস্য হিসেবে কৌশলগত পরিকল্পনা, নীতিনির্ধারণ এবং প্রোগ্রাম বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। উন্নয়ন খাতে তার প্রায় ২৩ বছরের বিস্তৃত পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে।

তিনি ১৯৯৮ সালে সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে প্রশাসন বিভাগে শিক্ষানবিশ হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন, যেখানে তিনি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে দৃঢ় ভিত্তি গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে সারা দেশে প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করে সক্ষমতা উন্নয়ন কার্যক্রমে অবদান রাখেন। ২০০২ সালে টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফোকাল পারসন হিসেবে প্রকল্প বাস্তবায়ন ও অংশীজন সমন্বয়ে দক্ষতা প্রদর্শন করেন। এছাড়া তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বরিশালে বিকল্প উন্নয়ন কর্মসূচি (বিউক) এ প্রশিক্ষণ কোঅর্ডিনেটর হিসেবে প্রশিক্ষণ ইউনিট এর কাজের সমন্বয় করেন।

২০০৬ সালে এসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রাম অফিসার হিসেবে দি হাঙ্গার প্রজেক্টে পুনরায় যোগদান করে তিনি ঢাকা অঞ্চলের রিজিওনাল কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। এরপর তিনি ২০১০ সাল থেকে সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার ও রিজিওনাল কো-অর্ডিনেটর হিসেবে বরিশাল অঞ্চলের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি আঞ্চলিক পর্যায়ে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, তদারকি ও মূল্যায়নে নেতৃত্ব প্রদান করছেন।
তার পেশাগত দক্ষতার মধ্যে রয়েছে জেন্ডার সমতা, যুব উন্নয়ন, সুশাসন, আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি, রাজনৈতিক ও নির্বাচন কেন্দ্রিক সহিংসতা প্রতিরোধ, জনস্বাস্থ্য, জীবিকা উন্নয়ন এবং খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক, সিএসও, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে তিনি টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।