বিশ্ববিস্তৃত ক্ষুধা-দারিদ্র্য দূরীকরণের ব্রত নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাব্রতী সংস্থা হিসেবে ১৯৭৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর যাত্রা শুরু হয়। বাংলাদেশে এ সংস্থাটি কার্যক্রম পরিচালনা করা শুরু করে ১৯৯১ সালে। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট
আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন সময় জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব, কয়েকজন নোবেল বিজয়ী ব্যক্তিত্ব ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এ সংস্থা ও এর কার্যক্রম সম্পর্কে
জানিয়েছেন ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া/মন্তব্য, যার কিছু নিচে তুলে ধরা হলো
“আমি জেনে আনন্দিত যে, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট মানুষের গতানুগতিক পরনির্ভরশীল বিশ্বাসের পরিবর্তন করে এবং মানুষকে সংগঠিত করে আত্মনির্ভরশীল কিশোরগঞ্জ জেলা তথা বাংলাদেশ গঠনে ব্রতী হয়েছে। আমার মতে, এটি একটি ব্যতিক্রমী অভিযান।”
মোঃ আব্দুল হামিদ
মহামান্য রাষ্ট্রপতি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
“স্থায়ী বা টেকসই উন্নয়নের জন্য মানুষকে ক্ষমতায়িত করা, তাদের অন্তর্নিহিত শক্তিকে জাগিয়ে তোলা, তাদের অন্তর্নিহিত শক্তিকে জাগিয়ে তোলা প্রয়োজন। মানুষের চিন্তা-চেতনার একটি বিল্পবী পরিবর্তন আনার জন্য দি হাঙ্গার প্রজেক্ট যে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে তা আমি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি।”
জিল্লুর রহমান
সাবেক মহামান্য রাষ্ট্রপতি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
“আপনাদের কার্যক্রম সারা বিশ্বে ক্ষুধার প্রবাহমানতা সম্পর্কে আমাদেরকে অধিকতর সচেতন করছে। ইতিমধ্যে ২৫টির বেশি দেশের জনগণকে তাদের নিজেদের চেষ্টায় ক্ষুধামুক্তির জন্য আপনারা সহযোগিতা করছেন। আপনারা যেমন বলছেন, এই ক্ষুধামুক্তি হবে স্থায়ী। এমন অবদানের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আপনাদের কাছে ঋণী।”
বিল ক্লিনটন
সাবেক রাষ্ট্রপতি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
“আমি আনন্দিত যে, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বিশ্বকে ক্ষুধামুক্ত করার লক্ষ্যে একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগুচ্ছে। তারা অনুসন্ধান করছেন, কিসের জন্য বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা বিরাজমান।”
অমর্ত্য সেন
নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ
“আমরা অবহিত যে, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর কর্মধারা ও শ্লোগান হলো- ‘আত্মশক্তিতে বলীয়ান হওয়া’। আমরা আরও জানি যে, এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে ১৩টি বৈশিষ্ট আছে। সমস্ত উদ্যোগের উদ্দেশ্য স্থানীয় সমাজকে এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনগণকে সংগঠিত ও তাদেরকে শক্তিশালী করা। ... প্রতি উজ্জীবকের মনে রাখা প্রয়োজন- প্রচলিত ব্যবস্থা থেকে কতো সেবা আদায় করা যায় এবং কতো ভালো এবং সহজভাবে আদায় করা যায় সেদিকেই উদ্ভাবনী কৌশলের দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে হবে।”
আবুল মাল আব্দুল মুহিত
সাবেক অর্থমন্ত্রী
“ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার যে অঙ্গীকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেছেন সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে, আমরা দি হাঙ্গার প্রজেক্ট ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর একসঙ্গে কাজ করছি। ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমরা ঊষার দুয়ার আঘাত হানবো, আমরা বাধার বিন্দাচল অতিক্রম করে বিজয়ের অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছবো।”
ওবায়দুল কাদের
যোগাযোগমন্ত্রী
“জনগণকে উজ্জীবিত ও সংগঠিত করলে পারলে দেশের অর্থনৈতিক পরিবর্তন সম্ভব।... একইসঙ্গে যৌতুক, ঘুষ, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের মত সামাজিক ব্যাধিগুলো মূলোৎপাটন করতে মানুষকে সচেতন ও সংগঠিত করে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন। এজন্য উজ্জীবক প্রয়োজন।”
আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া
সাবেক মন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
“সরকার এসডিজি বাস্তবায়নে অনেক পরিকল্পনা ও কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে, জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। দি হাঙ্গার প্রজেক্টও এসডিজি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছে। দি হাঙ্গার প্রজেক্টের সফলতা হচ্ছে সংস্থাটি তরুণ ও নারীদের সংগঠিত করতে পেরেছে, আমি নিজের চোখে এটি দেখেছি। পাশাপাশি উন্নয়নমূলক কাজে তারা স্থানীয় সরকারকে সহযোগিতা করছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের সমন্বয় করে কাজ করে চলেছে।”
ড. শামসুল আলম
সাবেক প্রতিমন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
“উজ্জীবকদের উদ্দেশ্য হচ্ছে অন্যদের মাঝে প্রেরণা সৃষ্টি করা অর্থাৎ অন্ধকার থেকে আলোতে আসা। উজ্জীবকরা অশিক্ষা, দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়ন প্রভৃতির অন্ধকার দূর করে আলো জ্বালানোর আন্দোলন শুরু করেছে। আমি বিশ্বাস করি, তারা অবশ্যই সফল হবে।”
এএসএম শাহজাহান
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা
“বাংলাদেশের নারীরা যেখানে সুযোগ পাচ্ছেন সেখানেই ভাল করছেন। তাঁরা পুরুষদের সাথে তাল মিলিয়ে দেশের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছেন। আমি শুনেছি উজ্জীবকদের মধ্যে অনেক নারী আছেন যারা আত্মনির্ভরশীলতার লক্ষ্যে কাজ করছেন। তাঁদের প্রতি অভিনন্দন রইল।”
রোকেয়া আফজাল রহমান
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা
“ক্ষুধামুক্ত দেশ গড়ার জন্য মানুষকে উজ্জীবিত করা আবশ্যক। প্রতিটি মানুষেরই রয়েছে সৃষ্টিশীল ক্ষমতা। আর সৃষ্টিশীল ক্ষমতাকে কাজে লাগানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট।”
আব্দুল মতিন খসরু
সাবেক আইনমন্ত্রী
“আমি নিজেকে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর একজন উজ্জীবক হিসেবে ঘোষণা করলাম। আমি বিশ্বাস করি, পৃথিবীতে এসেছি কিছু পদচিহ্ন রেখে যেতে। আমি ব্যক্তিগত যে সম্পদ আছে তা নিয়েই আপনাদের সাথে থাকতে চাই।”
আলহাজ্ব রাশেদ মোশাররফ
সাবেক ভূমি প্রতিমন্ত্রী
“মুক্তিযুদ্ধে এবং ৮৯ এর বন্যায় আমরা সামাজিক পুঁজির উৎকৃষ্ট উদাহরণ সৃষ্টি করেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীকালে আমরা তা ধরে রাখতে পারিনি। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর স্বেচ্ছাব্রতীরা সেই সামাজিক পুঁজি সৃষ্টির করার জন্য অনুকরণীয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন।”
ড. আতিউর রহমান
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর
“বাজার অর্থনীতির যুগে এই যুগে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করা একটি বিরাট ব্যাপার এবং উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। উজ্জীবকরা এই দৃষ্টান্তমূলক কাজটি প্রতিনিয়ত করে চলেছেন।”
অধ্যাপক রেহমান সোবহান
বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও চেয়ারম্যান, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডি
“স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ইতিবাচক পরিবর্তনে আমি বিশ্বাসী। আমি মনে করি, স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে আপনারা যে কাজ শুরু করেছেন তা বিশ্ব ইতিহাসে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”
অধ্যাপক রওনক জাহান
বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও সম্মানিত ফেলো, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডি
“মানুষ আত্মশক্তিতে এগিয়ে এলে তার জন্য বাইরের সাহায্য আবশ্যিক হয় না। এর আগে আমি একবার হাঙ্গার প্রজেক্ট নামকরণের ব্যাপারে দ্বিমত করেছিলাম। কিন্তু এখন বুঝতে পারলাম সংস্থাটি ভাল কাজ করছে। আমি অত্যন্ত অনুপ্রাণিত হয়েছি।” দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর উজ্জীবকদের সম্পর্কে তিনি বলেন, “উজ্জীবকের কাজের ভিত্তি হলো এই বিশ্বাস যে, মানুষ সৃষ্টিশীল, আত্মমর্যাদাবান বা আত্মশক্তিসম্পন্ন।... তাদের কাজ হলো- কমবিত্তের মানুষের মধ্যে সংহতি ও যৌথ কর্মকাণ্ডের চেতনা বৃদ্ধি করতে চেষ্টা করা।”
ড. আনিসুর রহমান
বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সাবেক সদস্য, বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
“দি হাঙ্গার প্রজেক্ট মানুষকে জাগিয়ে তোলার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কাজ করছে। তৃণমূল পর্যায়ে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব ভালো কাজের সাথে আমরা সব সময় আছি এবং থাকবো।”
মতিউর রহমান
সম্পাদক, প্রথম আলো
“ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, আত্মশক্তিতে বলীয়ান ব্যক্তি কখনোই দরিদ্র থাকে না। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট সারাদেশের যুব সমাজের আত্মশক্তির স্পূরণ ঘটাতে যে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে তাকে আমি অভিনন্দন জানাই।”
শেখ হাসিনা
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
“কোনো সরকারের পক্ষেই মানুষের সকল চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়-এ সত্যটি উজ্জীবকরা উপলব্ধি করে তারা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে, দৃঢ় ইচ্ছা আর আত্মশক্তি নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে গেলে অনেক কিছুই করা সম্ভব। আমার বিশ্বাস, উজ্জীবকরা যে চেতনা ও বিশ্বাস থেকে কাজ করছে তার মাধ্যমেই দেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের অভিশাপ থেকে মুক্ত করা সম্ভব।”
বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও সাবেক প্রধান বিচারপতি
“দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর বহুবিদ সাফল্য রয়েছে। বিশেষত মানব সম্পদ উন্নয়ন কর্মসূচির ক্ষেত্রে। এ সকল কর্মসূচি ক্ষুধা-দারিদ্র্য দূরীকরণের লক্ষ্যে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের নেতৃত্বকে একত্রে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়।”
নেলসন ম্যান্ডেলা
দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও শান্তিতে নোবেল বিজয়ী
“আমি জাতিসংঘের মহাসচিব থাকাকালীন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর ‘আফ্রিকা প্রাইজ ফর লিডারশিপ’ উদ্যোগের সাথে আমার কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে গৃহীত তাদের অন্যান্য কার্যক্রমের সাথে জড়িত হওয়ারও সুযোগ হয়। দি
হাঙ্গার প্রজেক্ট একটি ব্যতিক্রমী, কৌশলগত সংগঠন।”
পেরেজ-ডি-ক্যুয়েলার
সাবেক মহাসচিব, জাতিসংঘ
“মা’কে (দেশকে) কীভাবে রোগমুক্ত করা যায়, তা আমাদের সকলকেই আজ ভাবতে হবে। আশার কথা, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর উজ্জীবকরা সে ঔষধ ইতিমধ্যেই পেয়ে গেছেন। মায়ের রোগ সারাতে তারা এরইমধ্যে কাজে নেমে গেছেন। অনেককে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। এখন আমাদেরও সকলকে একত্রিত হয়ে কাজে নামতে হবে।”
ড. কামাল হোসেন
সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি
“দি হাঙ্গার প্রজেক্ট পরিচালিত উজ্জীবক প্রশিক্ষণে প্রচলিত চিন্তা-চেতনার বাইরে এসে সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে উন্নয়ন - ৯ বিন্দুর এ অনুশীলনের মাধ্যমে আমি যে শিক্ষা পেলাম তা শুধু আমার ব্যক্তি জীবনেই নয়, আমার কাজের ক্ষেত্রেও এটা অনেক বেশি সহায়ক হবে।”
মোহাম্মদ নাসিম
স্বাস্থ্যমন্ত্রী
“আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সাথে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট পরিচালিত উজ্জীবক প্রশিক্ষণের একটা মিল রয়েছে। এখানকার কার্যক্রম এবং পরিচালনা ব্যতিক্রমধর্মী। আমার মনে হয় এটাই সঠিক পন্থা। নিজেরা আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান হয়ে অপরের মাঝেও এই বিশ্বাস সৃষ্টি করতে হবে যে, মানুষ ইচ্ছা করলেই তার সৃজনশীলতাকে বিকশিত করে নিজেদের অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে পারে।”
রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
“দি হাঙ্গার প্রজেক্ট সারাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে জাগিয়ে তুলছে। এরা সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটাবার কাজ করছে। পরনির্ভরশীলতাকে পদদলিত করে, স্থানীয় সমস্যাগুলোকে স্থানীয়ভাবে সমাধানের জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করছে। যে কাজগুলো সরকারের করার কথা, সে কাজগুলোই হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর উজ্জীবকরা করছেন। তাই উজ্জীবকদের সকল কাজে সার্বিকভাবে সহায়তা করা সরকারের কর্তব্য।”
সাদেক হোসেন খোকা
সাবেক মেয়র, ঢাকা সিটি করপোরেশন ও সাবেক মন্ত্রী
“স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর উজ্জীবকরা যে কাজ শুরু করেছে- একমাত্র এর মাধ্যমেই দেশ থেকে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতা দূর করা সম্ভব।”
এম হাফিজউদ্দীন খান
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা
“আমি বিশ্বাস করি, সমাজ থেকে সকল প্রকার অনাচার দূর করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ক্ষুধামুক্ত আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে উজ্জীবকদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলো অবশ্যই সফল হবে। যার মাধ্যমে বিশ্ব পরিমণ্ডলে আমাদের বিদ্যমান নেতিবাচক অবস্থানের পরিবর্তন হবে এবং সকলেই আমাদের ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখবে।”
সুলতানা কামাল
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা
“আমরা সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক একটি সমাজ চেয়েছিলাম, যেখানে দেশীয় সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত হবে, দরিদ্র মানুষেরা মুক্তি পাবে দারিদ্র্য থেকে। কিন্তু তা হয়নি বললেই চলে। এই বাস্তবতার মাঝেও যারা নতুন দিনের স্বপ্ন নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন, আমি সেই উজ্জীবকদের অভিনন্দন জানাতে চাই। সেই সঙ্গে ব্যক্ত করতে চাই তাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার প্রত্যাশা।”
জি এম কাদের
সাবেক বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী
‘‘১৯৭১ সালে সাধারণ মানুষ একত্রিত হয়ে যে অসাধ্য সাধন করেছিলো, তার পেছনে ছিলো আত্মবিশ্বাসের প্রচণ্ড শক্তি। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট দেশের জনগণের সেই হারানো আত্মবিশ্বাসটি জাগিয়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করছে। দেশের সত্যিকার উন্নয়নের জন্য উজ্জীবকদের মতো নিষ্ঠা আর একাগ্রতার আজ একান্ত দরকার।’’
জিয়াউল হক জিয়া
সাবেক প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়
“দেশের ক্ষুধা-দারিদ্র্য দূর করার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলো দি হাঙ্গার প্রজেক্ট। এ লক্ষ্য অর্জন করতে গিয়ে তারা প্রচলিত ক্ষুদ্র ঋণ প্রথা অবলম্বন করেনি কিংবা জনগণের সাথে দেনা-পাওনার অমর্যাদাকর সম্পর্ক স্থাপন করতে যায়নি। বরং তারা যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করেছে তা হলো মানুষের সুপ্ত ক্ষমতাটিকে জাগিয়ে দিয়ে তাকে সৃষ্টিশীল ও প্রত্যয়ী করে তোলা। এ প্রক্রিয়ায় উজ্জীবকদের ভূমিকা অদৃশ্য অনুঘটকের। তারা পেছনে থেকে মানুষকে কর্মে প্রবৃত্ত করে, উজ্জীবিত ও অনুপ্রাণিত করে।”
অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ
সাবেক সভাপতি, সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক ও টিআইবি’র ট্রাস্টি বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান
“উজ্জীবকরা এক ব্যতিক্রমী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। বাংলাদেশে এই ধরনের কাজ খুব বেশি হয়নি। আমি এজন্য দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-কে বিশেষ ধন্যবাই জানাই। আমি দেখতে চাই যে, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর সাথে ব্র্যাক-এর এবং অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের যে সম্পর্ক গড়ে উঠবে এবং তার মাধ্যমে যে আন্দোলন গড়ে উঠবে তাতে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে।”
স্যার ফজলে হাসান আবেদ, কেসিএমজি
প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, ব্র্যাক
“দি হাঙ্গার প্রজেক্ট উজ্জীবক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মানুষকে আলোকিত ও উজ্জীবিত করে আত্মশক্তিতে বলীয়ান করার চেষ্টা করছে। সে দিন বেশি দূরে নয়, যে দিন এ উজ্জীবকরা সারা বাংলাদেশকে জাগিয়ে তুলবে।”
অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ
প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
“বাংলাদেশের একটি উন্নত ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর উজ্জীবকরা চেষ্টা করে যাচ্ছেন। সমাজ পরিবর্তনের এই বিকল্প ধারায় আমি সবসময় পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি।”
সেলিনা হোসেন
বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী

