খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় ‘জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতির বাস্তবায়ন: স্থানীয় প্রেক্ষিত’ শীর্ষক গোলটেবিল

সকল নাগরিকের জন্য ‘সুযোগের সমতা নিশ্চিত করা, অসাম্য বিলোপ এবং সম্পদের সুষম বণ্টনের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন ও আন্তর্জাতিক প্রতিশ্র“তি রক্ষায় বাংলাদেশ বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এরই আলোকে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার প্রণয়ন করে ‘জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১’।

০৮ জানুয়ারি ২০১৭, খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ‘জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতির বাস্তবায়ন: স্থানীয় প্রেক্ষিত’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠক। উপজেলা পরিষদের শহীদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উক্ত গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. বদিউল আলম মজুমদার। এছাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. খান আলী মুনসুর, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শিরিনা দৌলাত এবং যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান-সহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

গোলটেবিল বৈঠকে স্বাগত বক্তব্য দেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. মাসুদুর রহমান রনজু এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রোগ্রাম অফিসার মো. আসলাম খান।

ড. বদিউল আলম মজুমদার তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আমাদের নারীরা এখন আগের থেকে অনেক সোচ্চার এবং অধিকার সচেতন। এই অবস্থায় জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি যথাযথভাবে কার্যকর হলে নারীরা আরও বেশি এগিয়ে যাবে। কারণ নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে এই নীতিটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নারীদেরকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে।’ এক্ষেত্রে পুরুষকে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আলোচনায় অংশ নেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজোয়ান মোল্যা, খান সাকুর উদ্দিন, শেখ আবুল হোসেন, হিমাংশু বিশ্বাস, জয়নাল আবেদীন এবং খুলনা জেলা পরিষদের সদস্য শোভা রাণী। তাঁরা বলেন, ‘দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর প্রশিক্ষণ পেয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে নারীরা দক্ষ হয়ে ওঠার পাশাপাশি তাদের অধিকার আদায়ে সচেতন হয়ে উঠছেন। তৃণমূলের এই নারীনেত্রীরা ইতিমধ্যে নিজেদের এবং সমাজের অন্যান্যদের অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তনে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছেন।’