টিএইচপি গ্লোবাল প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সফর: ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন কার্যক্রম দেখে মুগ্ধ ও অভিভূত

Press Release from The Hunger Projectবেতাগা ইউনিয়নের একজন চা বিক্রেতা হঠাৎ অনেক বিদেশি মানুষকে দেখে কৌতুহল বশতঃ এগিয়ে আসলেন। বিদেশিদের মধ্য থেকে কালো একজন মানুষ চা বিক্রেতার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে তার জীবনের নানা কথা জিজ্ঞাসা করলেন। চা বিক্রেতা স্বাভাবিকভাবেই সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন। কিন্তু কথোপকথনের ফাঁকে চা বিক্রেতা যখন জানতে পেল যে, এই কাল মানুষটি আর কেউ নয়, আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিকের সাবেক রাষ্ট্রপতি জ্যাকুইম আলবার্ট সিসানো। তখন তিনি আর তার আবেগ ধরে রাখতে পারল না, আবারও করমর্দনের জন্য এগিয়ে এলেন তিনি। এই রকম নানা ঘটনার জন্ম হয় বটিয়াঘাটা এবং বেতাগা ইউনিয়নে।

গত ২৬ জুন ২০১৪, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর গ্লোবাল বোর্ডের চেয়ারম্যান স্টিভেন জে শেরউড ও  গ্লোবাল বোর্ডের সদস্য ও মোজাম্বিকের সাবেক রাষ্ট্রপতি জ্যাকুইম আলবার্ট সিসানোসহ মোট ২০ জনের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরে আসেন। প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট চার্লস ডিউল, জন কুনরুড, ভারতের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর গ্লোবাল বোর্ড সদস্য ড. সাঈদা হামিদ, ভারতের মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর গ্লোবাল বোর্ড সদস্য ড. মোহিনী গিরি, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ফর এডভান্স এলিজাবেথ ডয়েসরথ, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর গ্লোবাল বোর্ডের সদস্য কার্ল হ্যামিলটন ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর বোর্ড সদস্য শ্রী স্টমবার্গ প্রমুখ। এই সফরের উদ্দেশ্য ছিল এমডিজি ইউনিয়ন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ-এর মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম পরিদর্শন করা।

২৬ জুন ২০১৪, বাংলাদেশে আগমনের পর ঐদিন সন্ধ্যায় হোটেল সোনারগাঁয়ে তাঁদের সবাইকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিভিন্ন এনজিও সংস্থার প্রধান ও বিশিষ্ট নাগরিকগণ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান স্যার ফজলে হাসান আবেদ, প্রখ্যাত আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ ড. কামাল হোসেন, বাংলাদেশের তত্ত্বাবাধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এম. হাফিজ উদ্দিন খান, ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালকের উপদেষ্টা ড. মাহবুব হোসেন, নিজেরা করি-এর সমন্বয়কারী খুশী কবির, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের প্রধান মি: ব্রেডেন ম্যাকশেরী, সাবেক সচিব জনাব এ. ওয়াই. বি. সিদ্দিকী, ফর ইউ ফর এভার-এর চেয়ারপারসন জনাব রেহেনা সিদ্দিকীসহ আরও অনেকে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিশিষ্ট নাগরিকগণ এদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। বিদেশি অতিথিগণও বাংলাদেশের এই উন্নয়নের সাথে তাঁদের সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানের শেষভাগে ‘সামাজিক স¤্রীতি বজায় রাখা’ নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ ও ফর ইউ ফর এভার। সবশেষে প্রীতি ভোজ সভার মধ্য দিয়ে শেষ হয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।

গত ২৭ জুন ২০১৪, সড়ক পথে খুলনার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন গ্লোবাল প্রতিনিধিদল ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর আঞ্চলিক সমন্বয়কারীগণ-সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। বেলা প্রায় দুটার দিকে খুলনার বটিয়াঘাটা ইউনিয়নে পৌঁছার পর তাঁদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, উজ্জীবক, নারীনেত্রী ও ইয়ূথ সদস্যগণ। এরপর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে শুরু হয় এক মতবিনিময় সভা। সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মনোরঞ্জন মন্ডল। তিনি উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানিয়ে অত্র ইউনিয়নে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট- বাংলাদেশ-এর স্বেচ্ছাসেবীদের সহায়তায় ইউনিয়ন পরিষদ গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম তুলে ধরেন। এ সময় তিনি ইউনিয়ন পরিষদকে কার্যকর ও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর বিভিন্ন পদক্ষেপও তুলে ধরেন। এরপর নারীনেত্রী সুচত্রা বাছা তাঁর বক্তব্যে অত্র ইউনিয়নে নারীনেত্রীদের বিভিন্ন কার্যক্রমের সফলতা তুলে ধরেন। বিশেষ করে বাল্যবিবাহ বন্ধে নারীনেত্রীদের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বাল্যবিবাহ বন্ধে অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নারীনেত্রীগণ পাড়ায় পাড়ায় উঠান বৈঠক পরিচালনা করেন। এরপরও বাল্যবিবাহের আয়োজন হলে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে আইনি সহায়তা নিয়ে উক্ত বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়। এরফলে এই ইউনিয়ন এখন বাল্যবিবাহ মুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। শিক্ষা কার্যক্রম বিস্তারের লক্ষ্যে উজ্জীবক, নারীনেত্রী ও ইয়ূথ লিডারগণ ইউনিয়ন পরিষদের সহায়তায় সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে এই ইউনিয়নে শতকরা একশ’ ভাগ শিশু এখন বিদ্যালয়ে যায়।’ এ সময় সম্মানিত অতিথিগণ স্বেচ্ছাসেবীদের নানা ধরনের প্রশ্ন করেন এবং বিষয়গুলো বিস্তারিত জানতে চান। স্বেচ্ছাসেবকগণও বিপুল উৎসাহের সাথে তাঁদের প্রশ্নগুলোর উত্তর দেন।

মতবিনিময় সভা শেষে অতিথিগণ বসুরাবাদ এলাকার বাদামতলা বাজারে নারীনেত্রী শিখা রাণীর কৃষি ক্লাব পরিদর্শনে যান। সেখানে বিপুল সংখ্যক নারীর উপস্থিতি দেখে অতিথিগণ মুগ্ধ হন। নারীনেত্রী শিখা রাণী অতিথিদের সামনে নারী কৃষি ক্লাবের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। তার এই কার্যক্রমের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম হলোÑ ফসলের বীজ সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক উপায়ে পোকা-মাকড় দমন। অতিথিদের মধ্য থেকে মোজাম্বিকের সাবেক রাষ্ট্রপতি জ্যাকুইম আলবার্ট সিসানো তাদের কার্যকম শোনার ব্যাপারে বিপুল আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি জানতে চান যে, নারীদের মাঠে কাজ করার বিষয়টি পুরুষগণ কোন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেন। উপস্থিত পুরুষগণ বলেন, তাদের পরিবারের নারীগণ মাঠে কাজ করার ফলে সংসারে অনেক উপকার হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি সিসানো উপস্থিত নারীদের নিকট পুরুষদের এই মন্তব্যের সত্যতা স¤পর্কে জানতে চান। নারীগণও স্বীকার করেন যে, পুরুষগণ তাদেরকে মাঠে কাজ করার স্বাধীনতা দিয়েছেন।

এরপর প্রতিনিধিদল বাগেরহাট জেলার বেতাগা ইউনিয়নের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। বিকেল ৪:৩০টায় তাঁরা বেতাগা ইউনিয়নে উপস্থিত হন। ইউনিয়নে প্রবেশের মুখেই অতিথিগণ দেখতে পান ইউনিয়ন পরিষদ নির্মিত পাবলিক টয়লেট। সুদৃশ্য ও আধুনিক টয়লেটটি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্মাণ করেছে। এরপর গাড়ি ছুটে চলে অর্গানিক বেতাগা কার্যক্রম পরিদর্শনের জন্য। বেতাগা ইউনিয়ন পরিষদের সহায়তায় স্থানীয় কৃষকরা রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার বন্ধ করে জৈবসার ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ক্ষতিকর পোকা-মাকড় নিধনের মাধ্যমে অর্গানিক বেতাগা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অতিথিগণ সেখানে উৎপাদিত শষ্য ও প্রাকৃতিক কীটনাশক পদ্ধতি ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং এই কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

গাড়িবহর এগিয়ে চলে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের দিকে। অতিথিগণ সেখানে উপস্থিত হলে নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ, স্থানীয় উজ্জীবক, নারীনেত্রী, ইয়ূথ লিডার ও ইউনিয়ন পরিষদের স্থায়ী কমিটির সদস্যগণ ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। সেখানে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভার শুরুতে ইউপি চেয়ারম্যান জনাব স্বপন দাস স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি তাঁর দীর্ঘ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ, উজ্জীবক, নারীনেত্রী ও স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন সফল উদ্যোগ তুলে ধরেন। ইউনিয়নের বিভিন্ন সফলতার মধ্যে ওয়ার্ড সিটিজেন-ইন-গর্ভানেন্স ফোরাম, বেতাগা ইউনিয়ন উচ্চ শিক্ষা সহায়তা ও সম্প্রসারণ প্রকল্প, পাইপ লাইন পানি সরবরাহ, অর্গানিক পদ্ধতিতে শষ্য উৎপাদন, আবাসিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও হোল্ডিং ট্যাক্স টিম গঠনের কথা তিনি উল্লেখ করেন। অত্র ইউনিয়নের শতকরা ৯৬ ভাগ বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং এসকল সফল উদ্যোগে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবীগণ প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছেন বলেও উল্লেখ করেন চেয়ারম্যান স্বপন দাস।

এরপর উপস্থিত উজ্জীবকগণ তাদের বিভিন্ন সফলতা তুলে ধরেন। এই সময় অতিথিগণ বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে বেতাগা ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সম্পর্ক  ধারণা লাভ করেন। বিশেষ করে ভারতীয় পরিকল্পনা কমিশনের সাবেক সদস্য ড. সাইদা হামিদ এমডিজির লক্ষ্য অর্জনে গৃহীত সফলতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

ইতোমধ্যে সন্ধ্যা পেরিয়ে গেছে। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটু দূরে বেতাগা গার্লস স্কুল। সেখানে অতিথিদের সাথে তাদের সফলতা তুলে ধরার জন্য অপেক্ষা করছিলেন নারীনেত্রীগণ। তখন প্রায় সন্ধ্যা সাতটা। এ সময় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় নারীনেত্রী ও অন্যান্য নারীগণ তাদের বিভিন্ন সফলতা তুলে ধরেন। বিশেষ করে যৌতুক, বাল্যবিবাহ ও নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে তাদের ভূমিকা এবং আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। অতিথিগণ তাদের এই সাফল্যে মুগ্ধ হন এবং তাদের সফলতা কামনা করেন। প্রতিনিধিদল দল বেতাগা থেকে ফিরে এসে রাত ৯.০০টায় খুলনা শহরের সিটি ইন হোটেলে স্থানীয় ইয়ূথ লিডারগণের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত আরেকটি মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

২৮ জুন ২০১৪ দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর বাংলাদেশ কার্যালয়ে (মোহাম্মদপুর, ঢাকা) আসবেন গ্লোবাল প্রতিনিধিদল। এ উপলক্ষে পুরো কার্যালয়কে ফুল দিয়ে সাজানো হয়। বিকাল ৩.০০টা, আমন্ত্রিত অতিথিগণকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সংস্থার কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ। এরপর উজ্জীবক, নারীনেত্রী ও ইয়ূথ লিডারগণের অংশগ্রহণে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ও গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. বদিউল আলম মজুমদার। এরপর উজ্জীবক, নারীনেত্রী ও ইয়ূথ লিডারগণ তাদের অর্জিত অভিজ্ঞতাগুলো তুলে ধরেন। গ্লোবাল প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে জ্যাকুইম আলবার্ট সিসানো মোজাম্বিকের জনগণের পক্ষ থেকে উপস্থিত সুধীবৃন্দকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘আমি এই প্রথম বাংলাদেশে এসেছি। মাত্র একদিনের মধ্যে বাংলাদেশের রাজনীতি, সংস্কৃতি ও আর্থ-সামাজিক অবস্থা-সহ বিভিন্ন বিষয়ে অবগত হয়েছি। আমি মনে করি, বাংলাদেশ উন্নয়নের পথে রয়েছে। মূলত, নারী ও তরুণ সমাজের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার কারণেই এই বিপুল সফলতা অর্জিত হয়েছে। আর এসব নারী ও তরুণদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।’ নিজ দেশে ফিরে গিয়ে বাংলাদেশের এই সফলতাগুলো বিভিন্ন ফোরামে তুলে ধরবেন বলেও জানান তিনি। মতবিনিময় সভায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) যুগ্মসচিব শফিকুল ইসলাম ও হোম ইকোনমিক্স কলেজের অধ্যক্ষ ইফফাত আরা নার্গিস উপস্থিত ছিলেন। এরপর এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। প্রতিবেদক: আহসানুল কবির ডলার- প্রোগ্রাম ম্যানেজার, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ।