লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

লক্ষ্য:

১.তৃণমূলের জনগণকে ক্ষমতায়িত ও সংগঠিতকরণ
ক. তৃণমূলে সামাজিক পুঁজি গড়ে তেলা এবং নির্ভরশীলতার মানসিকতায় পরিবর্তন আনা
খ. প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি উন্নতকরণ
গ. কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে কমিউনিটির মানুষের সামর্থ্য বৃদ্ধিকরণ
ঘ. তৃণমূলে মানুষের জন্য শিক্ষা ও তথ্যের প্রাধিকার নিশ্চিতকরণ
ঙ. সমষ্টিগতভাবে নিজেদের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে সামাজিক ঐক্য বৃদ্ধি এবং কমিউনিটির মানুষকে ক্ষমতায়িত করা
চ. তৃণমূলে খাদ্য এবং জলবায়ু নিরাপত্তা বৃদ্ধি।

২.নারী ও কন্যাশিশুদের ক্ষমতায়িত করা
ক. নারী নেতৃত্ব বিকাশের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি
খ. নারীদের জন্য আয় বৃদ্ধিমূলক কাজের সুযোগ তৈরি
গ. নারী ও কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা
ঘ. সরকারি সেবায় অভিগম্যতা বৃদ্ধি
ঙ. নারী ও মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়ন
চ. সর্বস্তরে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি

৩.স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ
ক. কার্যকরভাবে পরিষদ পরিচালনার লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সামর্থ্য বৃদ্ধি
খ. স্থানীয় সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে পরিবেশ তৈরি
গ. সরকারি সেবার গুণগত মান উন্নতকরণে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি

৪.অ্যাডভোকেসি/সামাজিক জোট
ক. বিকেন্দ্রীকরণ ও ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য আন্দোলন জোরদার করা
খ. সুশাসনে জন্য নীতি-নির্ধারকদের প্রভাবিত করার লক্ষ্যে সিভিল সোসাইটি নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ
গ. জেন্ডার সমতা ও শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ার জন্য সামাজিক জোট গড়ে তোলা।

উদ্দেশ্য

আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের লক্ষ্যে একদল স্বেচ্ছাব্রতী তৈরি করা, পরিবর্তনের অন্যতম রূপকার হিসেবে তৃণমূলের নারীদের মধ্যে নেতৃত্ব বিকাশ, স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে কার্যকর ও শক্তিশালীকরণ এবং বিদ্যমান বৈষম্য দূরীকরণ ও রাষ্ট্রীয় সম্পদে সাধারণ জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে নিরবিচ্ছিন্নভাবে অ্যাডভোকেসি করা এবং সামাজিক জোট গড়ে তোলা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *